স্টাফ রিপোর্টার :
গাজীপুর-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তরুণ মানবাধিকার কর্মী ও সমাজকর্মী মো. আতিকুল ইসলাম আতিক। গণফ্রন্টের মনোনীত এই প্রার্থী প্রচলিত বিশাল শোডাউন কিংবা বড় মিছিল-মিটিংয়ের পথে না গিয়ে বেছে নিয়েছেন ভিন্নধর্মী প্রচার কৌশল।
দিনরাত নিজেই ছুটে চলছেন নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায়। নেই কোনো জাঁকজমকপূর্ণ জনসভা বা শোরগোল করা মিছিল। বরং নীরবে, সরাসরি ভোটারদের ঘরের দুয়ারে গিয়ে কথা বলছেন পরিবর্তনের। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শুনছেন, তুলে ধরছেন নিজের পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার।
নির্বাচনী মাঠে দৃশ্যমান বড় কর্মসূচি না থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে শাহ সুলতান আতিকের প্রতি এক ধরনের নীরব সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, বড় বড় প্রতিশ্রুতির চেয়ে তারা এমন নেতৃত্বই চান, যিনি মানুষের পাশে থাকেন এবং বাস্তবতা বোঝেন।
উল্লেখ্য, এটি আতিকুল ইসলামের প্রথম নির্বাচন নয়। এর আগেও তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় এসেছিলেন। সে সময় একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর চেয়েও উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে নিজের জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক শক্ত অবস্থানের প্রমাণ দেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতাই এবার তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহ সুলতান আতিক বলেন,আমি ফাঁপা কথায় বিশ্বাস করি না। কথা নয়, কাজের মাধ্যমে গাজীপুর-২ আসনকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি শহর গড়াই আমার মূল অঙ্গীকার।
ভোটারদের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি বলেন,প্রিয় গাজীপুরবাসী, একটি সঠিক সিদ্ধান্তই বদলে দিতে পারে আমাদের শহরের চেহারা। আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়া আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ের গাজীপুর গড়ে তুলি।
মাছ মার্কা নিয়ে মাঠে থাকা এই তরুণ নেতা মনে করেন, এবার ভোটাররা অনেক বেশি সচেতন। উন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যেতে তারা যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেবেন বলেই তিনি আশাবাদী।