নতুন বাংলা অনলাইন ডেস্ক :
বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার(২৪ ডিসেম্বর)রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ড. বেনেডিক্ট আলো ডি রোজারিও এবং জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি খ্রিস্টোফার অধিকারীসহ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা বিশ্বজুড়ে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সুনাম এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ যিশু খ্রিস্টকে সার্বজনীন উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমা ও মানবসেবার আদর্শকে সামনে রেখে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে বড়দিন উদযাপিত হচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ গঠনে জনগণ প্রধান উপদেষ্টার ওপর আস্থা রেখেছে এবং তাঁর নেতৃত্বে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁরা প্রার্থনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বড়দিন ও আসন্ন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি জানান, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে প্রস্তুত করা জুলাই সনদের ওপর আসন্ন নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
গণভোটে জনগণের রায়ের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে বড়দিন উপলক্ষে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দেওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানান ট্রাস্টের নেতারা। তাঁরা জানান, দেশব্যাপী ৮০০টি চার্চের মধ্যে তিন ধাপে এ অনুদান বিতরণ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের শেষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বড়দিনের কেক কাটেন প্রধান উপদেষ্টা।