নিজস্ব প্রতিবেদক :
গাজীপুরের টঙ্গীতে সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজের উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫.০০ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দিনব্যাপী এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর–২ আসনের সংসদ সদস্য ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. মঞ্জুরুল করিম রনি।
গাজীপুর–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাসান উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি এম. মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অন্যদের উৎসাহিত করে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়ক। মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা গেলে তারা আগামী দিনের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ মাহবুবুল আলম শুকুর, সাবেক ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ–সভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদার, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক বসির উদ্দিন, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান নূর (ভিপি), গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিরন, টঙ্গী পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফুল হক প্রধান সুবেল ও পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বকর ছিদ্দিকসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫.০০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়।
এ সময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনটি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগানোর পাশাপাশি শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।